আজ বিশ্ব মা দিবস ‘মায়ের মতো আপন কেহ নাই রে’ Today is World Mother's Day "You have no one like your mother."
‘মায়ের মতো আপন কেহ নাই রে’। পৃথিবীর সভ্যতার উত্থান-পতনের যত গল্পই বলা হোক না কেন মায়ের জন্য ভালোবাসার গল্পের কোনো শেষ নেই। কখনো আনন্দের, কখনো ভালোবাসা, আবার কখনোবা অভিমান, অভিযোগের সবই যে শব্দে লুকিয়ে আছে তা হলো ‘মা’। মায়ের ভালোবাসায় স্বার্থপরতার স্পর্শ নেই, নেই কোনো প্রত্যাশা-প্রাপ্তির সমীকরণ। এই সেই মা, পৃথিবীতে যাকে নিয়ে রচিত হয়েছে এ রকম অসংখ্য হৃদয়স্পর্শী গান, গল্প, ছড়া ও কবিতা। খান আতার এমনি একটি গান ‘মায়ের মতো আপন কেহ নাই রে’। এর বাইরেও মাকে নিয়ে রচিত হয়েছে অনেক গান। সেসব গানে মাকে নিয়ে থাকা বিভিন্ন রকম কথা শ্রোতাদের আপ্লুত করে। বারবার মাকে মনে করিয়ে দেয়। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা আরো বাড়িয়ে দেয়।
কিন্তু এরপরও বিশ্বের সব মানুষ যাতে এক সাথে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারেন সেজন্য মে মাসের দ্বিতীয় রোববার আন্তর্জাতিক মা দিবস পালন করা হয়। আজ সেই দিন। আন্তর্জাতিক মা দিবস। দিবসটিতে আলাদা করে অনেকেই মাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছেন। অনেকে আবার একটি দিনকে ঘিরে মা দিবস পালনের বিরোধিতা করছেন। তারা বলছেন, মায়ের প্রতি সন্তানের অকৃত্রিম ভালোবাসা কোনো একটি দিনের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকতে পারে না। আর মাকে শ্রদ্ধা জানাতে কোনো আনুষ্ঠানিকতারও দরকার হয় না।
ইসলামে মায়ের মর্যাদা অসীম। মাকে মহান আল্লাহ সমাসীন করেছেন অভাবনীয় মর্যাদার আসনে। বলা হয়েছে, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। বুখারি শরিফের হাদিসে আছে রাসূল সা:কে এক সাহাবা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমার ওপর সবচেয়ে বেশি অধিকার কার? নবীজি বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সাহাবি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমার ওপর সবচেয়ে বেশি অধিকার কার? রাসূল সা: আবার বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সাহাবা আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমার ওপর সবচেয়ে বেশি অধিকার কার?’ রাসূল সা: বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সাহাবা আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমার ওপর সবচেয়ে বেশি অধিকার কার?’ তারপর বললেন, ‘তোমার বাবার।’
অবশেষে তার প্রচেষ্টা সফল হয়। ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। দিনটি সরকারি ছুটি ঘোষিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দেখাদেখি পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে। ক্রমেই দিবসটি ঘিরে বাণিজ্য শুরু হয়। এতে দিবসটির মূল চেতনা লঙ্ঘিত হয়। মর্মাহত হন আনা। দিবসটির বাণিজ্যিকীকরণের তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি।
Source:গুগল,dailynayadiganta
















Comments
Post a Comment